
আগুনে সচিবালয়ের ৭ নম্বর ভবনের ৬ থেকে ৯ তলা পর্যন্ত চারটি ফ্লোর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। সচিবালয়ে এই অগ্নিকাণ্ড সাধারণ দুর্ঘটনা বলে মেনে নেওয়া যায় না বলে জানিয়েছে আওয়ামী লীগ।
এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাদের সাত দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
আগ্নিকাণ্ডের পর আওয়ামী লীগ তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসে বলে , দেশের প্রশাসনিক হৃৎপিণ্ড সচিবালয়। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা কোনোভাবেই সাধারণ দুর্ঘটনা বলে মেনে নেওয়া যায় না। বিশেষ করে যখন ঘটনাটি ৭ নম্বর ভবনে ঘটে, যেখানে দুই ছাত্র উপদেষ্টাদের অফিস এবং গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র সংরক্ষিত ছিল।
৬ ঘণ্টা ধরে আটটি মন্ত্রণালয়ের অংশ পুড়ে ছাই হয়ে গেলেও দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টারা সেখানে আসেননি বলে এমনও অভিযোগ করে আওয়ামী লীগ।
তবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন যুব ক্রীড়া, ডাক টেলিযোগাযোগ, গণপূর্ত, সমাজকল্যাণ, স্বরাষ্ট্রসহ বেশ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টারা। পরিদর্শনকালে সচিবালয়ে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন তারা। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে নৌবাহিনী, সেনাবাহিনীও।
গত বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) রাত ১টা ৫২ মিনিটে সচিবালয়ে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। সচিবালয়ে অবস্থিত ফায়ার সার্ভিসের ইউনিটটি আগুন নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা করে রাত ১টা ৫৪ মিনিট থেকে। আগুনের তীব্রতা বেড়ে গেলে একে একে ১৯টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে। শুরুতে আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য ৮টি ইউনিট কাজ করলেও পরে আরও ১১টি ইউনিট যুক্ত হয়।
সচিবালয়ের ৭ নম্বর ভবনের ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম ও নবম তলায় ছড়িয়ে পড়ে আগুন। তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ বা ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।
তবে ৭ নম্বর ভবনে থাকা নথিপত্র পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।



