পর্যটন সংবাদ ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী সার্জিও গোরকে ভারতের নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছেন। একই সঙ্গে গোর দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক মার্কিন বিশেষ দূতের দায়িত্বও পালন করবেন।
বর্তমানে হোয়াইট হাউজের প্রেসিডেন্সিয়াল পারসোনেল অফিসের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন গোর। সেনেট অনুমোদন না পাওয়া পর্যন্ত তিনি আগের পদেই থাকবেন বলে শুক্রবার ট্রাম্প নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করে জানিয়েছেন।
ট্রাম্প লিখেছেন, “সার্জিও আমার বহু বছরের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তিনি আমার ঐতিহাসিক নির্বাচনী প্রচারে কাজ করেছেন, আমার বই প্রকাশ করেছেন এবং আমাদের আন্দোলনের অন্যতম বৃহৎ সুপার প্যাক পরিচালনা করেছেন। বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল অঞ্চলে আমার এমন একজন বিশ্বস্ত প্রতিনিধি দরকার, যিনি আমার এজেন্ডা বাস্তবায়ন করবেন।”
মনোনয়নের প্রতিক্রিয়ায় গোর এক্স-এ (সাবেক টুইটার) লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করা তার জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মান হবে।

বাণিজ্য টানাপোড়েনের সময় মনোনয়ন
সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের সম্পর্কে শীতলতা বেড়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কনীতি এর মূল কারণ। কৃষি ও দুগ্ধ খাত উন্মুক্ত করতে ভারতের অনীহার কারণে বাণিজ্য আলোচনা ভেস্তে যায়। এর জবাবে যুক্তরাষ্ট্র প্রথমে ভারতীয় পণ্যে ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করে। পরে রাশিয়া থেকে ভারতের তেল আমদানি বাড়ায় শুল্ক ৫০ শতাংশে উন্নীত করা হয়, যা আগামী ২৭ আগস্ট থেকে কার্যকর হবে।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টের অভিযোগ, রাশিয়ার তেল কিনে ভারত যুদ্ধের সুযোগে বাড়তি মুনাফা করছে। যুদ্ধের আগে যেখানে ভারতের তেল আমদানিতে রাশিয়ার অংশ ছিল এক শতাংশেরও কম, এখন তা বেড়ে ৪২ শতাংশে পৌঁছেছে।
সফর বাতিলের পর ঘোষণা
২৫ থেকে ২৯ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধিদের নয়াদিল্লি সফর হঠাৎ বাতিল হয়। এরপরই সার্জিও গোরকে রাষ্ট্রদূত হিসেবে মনোনয়নের ঘোষণা আসে।
দায়িত্ব পেলে গোরকে যুক্তরাষ্ট্র-ভারত সম্পর্কের এই অস্বস্তিকর পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার কঠিন দায়িত্ব নিতে হবে।
আপনি চাইলে আমি এটাকে আরও সংক্ষিপ্ত করে অনলাইন নিউজ পোর্টালের স্টাইল–এ ব্রেকিং শিরোনামসহ সাজিয়ে দিতে পারি। চাইবেন কি আমি সেটাও করি?



