
পর্যটন সংবাদ ডেস্ক : ট্যুরিজম মালয়েশিয়া ঢাকায় আয়োজিত ঢাকা ট্র্যাভেল মার্ট ২০২৬-এ সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে ‘ভিজিট মালয়েশিয়া ২০২৬’ (ভিএম২০২৬) প্রচারাভিযানকে আরও গতিশীল করেছে। ৯ থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত রাজধানীতে অনুষ্ঠিতব্য এই মেলায় মালয়েশিয়া ২০০২ সাল থেকে ১৪তমবারের মতো অংশ নিচ্ছে।
মালয়েশীয় প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ট্যুরিজম মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক প্রচার বিভাগ (এশিয়া ও আফ্রিকা)-এর উপ-পরিচালক সোলেহুদ্দিন আহমেদ। প্রতিনিধিদলে রয়েছেন মালয়েশিয়া হেলথকেয়ার ট্র্যাভেল কাউন্সিল ও এডুকেশন মালয়েশিয়া গ্লোবাল সার্ভিসেসের প্রতিনিধিরা, পাশাপাশি বিভিন্ন ট্যুর অপারেটর ও এয়ারলাইনস অংশীদার।
ট্যুরিজম মালয়েশিয়ার মহাপরিচালক মোহাম্মদ আমিরুল রিজাল আবদুল রহিম বলেন, “বাংলাদেশ মালয়েশিয়ার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণবাজার। আমরা এখানে আমাদের উপস্থিতি আরও জোরদার করতে এবং ভিএম২০২৬ প্রচারণাকে এগিয়ে নিতে আঞ্চলিক অংশীজনদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
বিশ্বব্যাপী ভ্রমণের চাহিদা পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে মালয়েশিয়া চিকিৎসা পর্যটন, শিক্ষা পর্যটন ও পরিবেশবান্ধব পর্যটনের মতো বিশেষায়িতখাতে বিশেষ জোর দিচ্ছে। বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে এসব খাতে নতুন নতুন সুযোগ-সুবিধা প্রসারিত করা হচ্ছে।
২০২৫ সালে মালয়েশিয়ায় মোট ৪ কোটি ২১ লাখ ৯০ হাজার আন্তর্জাতিক পর্যটকএসেছেন, যার মধ্যে বাংলাদেশ থেকে এসেছেন ২ লাখ ৮১ হাজার ৪৯২ জন। এ সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় ৮২.১ শতাংশ বেশি, যা বাংলাদেশী পর্যটকদের মালয়েশিয়ার প্রতি ক্রমবর্ধমান আগ্রহের স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয়।
বর্তমানে ঢাকা-মালয়েশিয়া রুটে সপ্তাহে ৪১টি সরাসরি ফ্লাইট চলাচল করছে, যেখানে মোট আসন সংখ্যা প্রায় ১১,৩৪০টি। মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্স,বাটিক এয়ার, এয়ারএশিয়া, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স এই রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করছে।
ঢাকা ট্র্যাভেল মার্টে অংশগ্রহণকে মালয়েশিয়া তার পর্যটন পণ্যের বৈচিত্র্য তুলে ধরা,বাংলাদেশী বাজারে পরিচিতি বাড়ানো এবং স্থানীয় অংশীদারদের সঙ্গে অংশীদারিত্ব আরও গভীর করার একটি কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করছে। ভিএম২০২৬ প্রচারণার মাধ্যমে দেশটি টেকসই পর্যটনের প্রতি তার অঙ্গীকারকেও বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরতে চায়।



