১৮/০৪/২০২৬
৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ময়লার স্তূপ নাকি সমুদ্র সৈকত ? হতাশ কক্সবাজারে আসা পর্যটকরা

প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ম্লান হচ্ছে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের। নানান অব্যবস্থাপনা, ময়লা আবর্জনা ও দূষণের ফলে রীতিমতো ভাগাড়ে পরিনত হচ্ছে পৃথিবীর দীর্ঘতম এই সমুদ্র সৈকতের।

দূর দূরান্ত থেকে আসা পর্যটকরা সমুদ্র সৈকত দেখতে এসে হতাশ। তাছাড়া হোটেল মোটেলের ভাড়া, অব্যবস্থাপনা ও খাবারের আকাশছোঁয়া দামের টানা যাচ্ছেনা কোনো লাগাম।

পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ কক্সবাজার। কিন্তু সেখানে গিয়ে দেখা যায় বিভিন্ন পরিত্যক্ত পানির বোতল ও ময়লা আবর্জনার ছড়াছড়ি। ছুটির দিনে কলাতলী থেকে লাবনী পয়েন্ট পর্যন্ত লক্ষাধিক পর্যটকের ভীড় জমে এখানে। অপরিচ্ছন্নতা ও অব্যবস্থাপনা তখন আরো বেরেযায়। অন্যান্য উচ্ছিষ্টের সাথে প্লাস্টিক জাতীয় আবর্জনারও ছড়াছড়ি।

পর্যটন শহরে যে ব্যবস্থাপনা, শৃঙ্খলা ও নজরদারি থাকা দরকার, তার কিছুই নেই কক্সবাজারে। হোটেল মোটেলের অতিরিক্ত ভাড়া, খাবারের বাড়তি দাম ও যাতায়াতে অব্যবস্থাপনার কারনে ক্ষুব্ধ পর্যটকরা। সমুদ্রের পরিচ্ছন্নতা কর্মী ৪০ জন। পর্যটক বাড়লে, বিশেষ করে ছুটির মৌসুমে তাদের চাপ বেড়ে যায় এমন দাবি প্রশাসনের। কর্মীদের পাশাপাশি পর্যটকদের অসচেতনতাও দায়ী। যেখানে সেখানে ময়লা আবর্জনা ফেলা, সাগরের পানিতে প্লাস্টিক ও পলিথিন ফেলা এসব বিষয়ে সচেতনতা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা মেজিস্ট্রেট বলেন, ঈদের সময় অতিরিক্ত লোকসমাগম হওয়ার সীমাবদ্ধতা দেখা দেয়, তবে আমরা চেষ্টা করছি এসব সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে।

Read Previous

এবার মার্কিন পণ্যে ১২৫ শতাংশ চীনেফ শুল্ক আরোপ

Read Next

শেরাটন হোটেল ভবনে ১০বছর পর নিজেদের অংশ বুঝে নিল ডিএনসিসি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Most Popular