
ছবি: সংগৃহীত
ইন্দোনেশিয়ার জনপ্রিয় দ্বীপ বালি আবারও পর্যটকদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে। কোভিড-১৯ মহামারির ধাক্কা কাটিয়ে উঠার পর, দ্বীপটি এখন নতুন করে পর্যটন শিল্পে প্রাণ ফিরে পেয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ২০২৫ সালের প্রথমার্ধেই ৩৫ লাখের বেশি আন্তর্জাতিক পর্যটক বালিতে আগমন করেছেন, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ৪০% বেশি।
বালির সৈকত, ঐতিহ্যবাহী হিন্দু মন্দির, স্থানীয় শিল্প ও সংস্কৃতি এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পর্যটকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠেছে। অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, চীন ও ভারতের পর্যটকদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্য এবং ইউরোপীয় দেশ থেকেও পর্যটকদের আগমন বেড়েছে।
বালির ডেনপাসার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রতি তার অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে আরও বেশি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা করছে। স্থানীয় হোটেল ও রিসোর্টগুলো পর্যটকদের সেবা নিশ্চিত করতে নানা রকম অফার ও ছাড় দিচ্ছে।
তবে পর্যটন বৃদ্ধির ফলে পরিবেশগত ভারসাম্য নিয়ে কিছু উদ্বেগও দেখা দিয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন এখন টেকসই পর্যটন নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে, যার মধ্যে রয়েছে প্লাস্টিক নিষিদ্ধকরণ, সৈকত পরিষ্কার কর্মসূচি, এবং গ্রামীণ পর্যটন সম্প্রসারণ।
বালির পর্যটন বিভাগের প্রধান ই গুস্তি আয়ু স্বস্তিকা বলেন,
“আমরা এখন কেবল পর্যটকদের সংখ্যা নয়, গুণগত মান নিশ্চিত করতেও মনোযোগী। বালিকে একটি দায়িত্বশীল পর্যটন গন্তব্যে রূপ দিতে চাই।”
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বালির বর্তমান পর্যটন প্রবৃদ্ধি ইন্দোনেশিয়ার সামগ্রিক অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, স্থানীয় শিল্পের প্রসার এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে বালি একটি বড় ভূমিকায় রয়েছে।



