
পর্যটন সংবাদ ডেস্ক: বাংলাদেশ থেকে গিনি-বিসাও ভ্রমণে যেতে হলে পর্যটক, ব্যবসায়ী বা সরকারি উদ্দেশ্য যেই হোক না কেন, সবার জন্য ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক। অনেকেই ধারণা করেন বিমানবন্দরে গিয়ে সহজেই ভিসা পাওয়া যাবে, কিন্তু বাস্তবে আবেদন প্রক্রিয়াটা কিছুটা ভিন্ন।
কোন ভিসা লাগবে
গিনি-বিসাও ভিসা সাধারণত কয়েক ধরনের হয়ে থাকে— পর্যটন, ব্যবসা, ট্রানজিট ও সরকারি ভিসা। কিছু ক্ষেত্রে ৯০ দিনের জন্য ভিসা অন অ্যারাইভাল সুবিধা থাকলেও বেশিরভাগ ভ্রমণকারীর জন্য আগেভাগে ই-ভিসা বা দূতাবাস থেকে ভিসা নেওয়াই নিরাপদ।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
ভিসা আবেদন করার সময় যেসব ডকুমেন্টস লাগবে:
- অন্তত ৬ মাস মেয়াদবাকি থাকা বৈধ পাসপোর্ট
- সাম্প্রতিক রঙিন পাসপোর্ট সাইজ ছবি
- পাসপোর্টের তথ্য পৃষ্ঠার কপি
- রিটার্ন টিকিট বা ভ্রমণ পরিকল্পনা
- হোটেল বুকিং বা বাসস্থানের প্রমাণপত্র
- আর্থিক সক্ষমতার কাগজ (ব্যাংক স্টেটমেন্ট)
- ব্যবসায়িক ভিসার ক্ষেত্রে স্থানীয় সংস্থা থেকে আমন্ত্রণপত্র
খরচ কত হতে পারে
ভিসার ফি সাধারণত ৫০ থেকে ১৫০ মার্কিন ডলারের মধ্যে হয়ে থাকে। ভিসার ধরন ও মেয়াদ অনুযায়ী এই খরচ বাড়তে বা কমতে পারে। কোনো ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে আবেদন করলে অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জও যোগ হবে।
ভিসার মেয়াদ
গিনি-বিসাওয়ের ভিসা সাধারণত এক থেকে তিন মাসের জন্য দেওয়া হয়। একাধিকবার প্রবেশের সুবিধা চাইলে আলাদা করে আবেদন করতে হবে।
বাংলাদেশে এম্বাসি কোথায়
ঢাকায় গিনি-বিসাওয়ের কোনো দূতাবাস নেই। নিকটবর্তী দূতাবাস পাওয়া যাবে চীন (বেইজিং) ও ইরান (তেহরান) শহরে। বাংলাদেশি আবেদনকারীদের সেখান থেকেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়, অথবা অনলাইনে ই-ভিসার জন্য আবেদন করা যায়।
যাত্রার আগে করণীয়
- আবেদন করার সময় যথেষ্ট দিন হাতে রাখুন
- সব ডকুমেন্টস পরিষ্কারভাবে স্ক্যান ও প্রিন্ট করে রাখুন
- সর্বশেষ নীতিমালা গিনি-বিসাও সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে দেখে নিন
- প্রতারণা এড়াতে কেবল অনুমোদিত এজেন্সি বা দূতাবাস ব্যবহার করুন
সব মিলিয়ে, গিনি-বিসাও ভ্রমণ করতে চাইলে ভিসা প্রস্তুতি শুরু করতে হবে আগে থেকেই। সঠিক কাগজপত্র ও তথ্য থাকলে ভিসা পাওয়া কঠিন নয়।



