
নেপালে পাহাড়ের বুকের ওপর বিমানবন্দর। যাকে বলা হয় ‘দ্য মোস্ট ডিফিকাল্ট এয়ারপোর্ট অব ওয়ার্ল্ড’। রানওয়েতে কয়েকটি বিমান দাঁড়িয়ে আছে। বিমান চমৎকার একটা ঝাঁকুনি দিয়ে ফ্লাইট অবতরণ করে।
বলে রাখা ভালো, নেপালে হালাল খাবার তেমন পাওয়া যায় না। বাংলাদেশি, ইন্ডিয়ান কয়েকটি খাবার রেস্তোরাঁ আছে। তবে তাদের খাবারের গুণগত মানটা ভালো না। তারপরও বাধ্য হয়ে আপনাকে খেতে হবে।
তবে হিন্দু বা ইংরেজি ভাষায় নেপালি রেস্তেরাঁগুলোতে গিয়ে বুঝিয়ে বললে তারা ভালো মানের খাবার পরিবেশন করে।
দরবার স্কয়ার
ইতিহাসপ্রেমীরা ঘুরে দেখতে পারেন কাঠমান্ডুতে অবস্থিত দরবার স্কয়ার। দরবার স্কয়ার ঘুরে মনে হবে, এ যেন এক জীবন্ত জাদুঘর।
তৎকালীন রাজাদের আমলে জনসাধারণের একত্রিত হওয়ার জন্য এই দরবার চত্বরকে ব্যবহার করা হতো। ঐতিহাসিক এই জায়গায় পর্যটকদের আনাগোনা বাড়ায় বেড়েছে দোকান ও মার্কেট। হয়েছে আরও জমজমাট।
বৌদ্ধনাথ স্তুপ
কাঠমান্ডু শহরের আনাচকানাচে ছড়িয়ে আছে দেখার মতো অনেক মন্দির। এর মধ্যে বৌধনাথ স্তুপ, পশুপতিনাথ মন্দির, স্বয়ম্ভূনাথ মন্দির ও নমো বৌদ্ধ মন্দির উল্লেখযোগ্য।
বোধনাথ বা বৌদ্ধনাথ মঠ হল তিব্বতের বাইরে অবস্থিত, বৃহত্তম তিব্বতি বৌদ্ধ মঠগুলির মধ্যে একটি। এটি কাঠমান্ডু থেকে ৭কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
স্থানীয় ও বিদেশি তীর্থযাত্রী উভয়ই (বিশেষ করে তিব্বত থেকে) এই আধ্যাত্মিক স্থানটি পরিদর্শন করতে আসে। এই মঠটি ইউনেস্কোর একটি বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্থান। আমরা ঘুরে ঘুরে মন্দিরের চারিপাশ দেখলাম। মন্দির থেকে পুরো কাঠমান্ডু শহর দেখা যায়।
এটি নেপালের ঐতিহাসিক গুরুত্বের শীর্ষস্থানগুলোর মধ্যে একটি, পঞ্চম শতাব্দীতে রাজা মন দেব দ্বারা নির্মিত। এই বিশাল মঠটি একটি অষ্টভুজাকার কাঠামোর উপরে নির্মিত, যা বুদ্ধের শিক্ষার প্রতীক। এটি বেশ কয়েকটি গোম্পা বা ছোট মন্দির দ্বারা বেষ্টিত।



