
যুক্তরাজ্যে উন্নত চিকিৎসা শেষে আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দেশে ফিরেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তিনি সরাসরি তাঁর গুলশানের বাসভবন ‘ফিরোজা’য় যাবেন। পথে পথে তাঁকে অভ্যর্থনা জানাবেন দলীয় নেতা-কর্মীরা।
খালেদা জিয়ার আগমন উপলক্ষে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় ভিড় করেছেন দলীয় নেতা-কর্মীরা। নেত্রীর নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে এয়ারপোর্টে ও এর আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান পর্যটন সংবাদকে বলেন, দলীয় চেয়ারপারসনের দেশে ফিরে আসাকে ঘিরে নেতা-কর্মীদের মধ্যে বিপুল উচ্ছ্বাস লক্ষ করা যাচ্ছে। তাঁরা দলীয় চেয়ারপারসনকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত হয়েছেন। নেতা-কর্মীদের সুশৃঙ্খল থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা নিয়ে কোনো উদ্বেগ নেই।
এয়ারপোর্ট এলাকায় উপস্থিত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের ২নং যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ মুহাম্মদ ফয়সাল হোসেন পর্যটন সংবাদকে বলেন, ‘ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্যদিয়ে ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে কিন্তু এখনো এ দেশের মানুষ গণতন্ত্রের স্বাদ ভোগ করতে পারছে না। দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার দেশে ফিরে আসায় গণতন্ত্র আবার পুনরুজ্জীবিত হবে। সে স্বপ্নে আমরা উদ্বেলিত।’

এয়ারপোর্টে অবস্থান করা নরসিংদী -১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকন পর্যটন সংবাদকে বলেন, ‘কি বলবো তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। শুধু আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জানাই, ম্যাডাম আমাদের মাঝে আবার ফিরে এসেছেন। আমরা আমাদের এই অবিভাবকের ছায়ায় থেকে ফিরে আবার বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবো।’
বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে অভ্যর্থনা জানাতে আসা সাবেক নরসিংদী ছাত্রদল জেলা সেক্রেটারি আব্দুর রউফ ফকির রনি পর্যটন সংবাদকে বলে ‘ আমাদের আপোষহীন নেত্রী পতিত সৈরাচার সরকার প্রধান শেখ হাসিনা দ্বারা অনেক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। অসুস্থ থেকেও ভালো চিকিৎসা সেবা পাননি, আজ আমাদের নেত্রী গনতন্ত্রের মা উন্নত চিকিৎসা নিয়ে দেশে ফিরেছেন,আমরা এবার উনার হাত ধরে এ দেশকে আবার গনতান্ত্রিক পরিবেশে ফিরিয়ে আনব।



