
পর্যটন সংবাদ ডেস্ক: কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্প্রতি বালিয়াড়ি এলাকায় স্থাপিত অবৈধ দোকানগুলোর উচ্ছেদ ও লাইসেন্স বাতিলের উদ্যোগ নিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে মন্ত্রণালয় ভূমি মন্ত্রণালয়ে চিঠি প্রেরণ করেছে।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য মতে, সৈকতের জীববৈচিত্র্য এবং প্রাকৃতিক পরিবেশকে ক্ষতি করে কিছু দোকান আইন ও বিধি অমান্য করে লাইসেন্স পেয়েছিল। বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ও প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ব্যবস্থাপনা বিধিমালা অনুযায়ী, ইসিএ (Environmentally Critical Area) এলাকায় স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে এমন কোনো ক্ষতিকর স্থাপনা রাখা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, ভবিষ্যতে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ব্যতীত কোনো কার্যক্রম না করার জন্য সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়েছে। ১৯৯৯ সালের ১৯ এপ্রিল সরকার কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকতকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করেছিল। পাশাপাশি, হাইকোর্ট ও সুপ্রিমকোর্টও বিভিন্ন সময়ে সৈকতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।
পর্যটকরা বলছেন, এই পদক্ষেপ সমুদ্র সৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং নিরাপদ ভ্রমণ পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে বালিয়াড়ির মতো ব্যস্ত পর্যটন এলাকায় পরিবেশের সংরক্ষণে এমন উদ্যোগ আশা জাগাচ্ছে।
পর্যটকদের জন্য পরামর্শ: কক্সবাজার ভ্রমণ করতে গেলে সড়ক ও সমুদ্র সৈকতের নিয়মিত নির্দেশিকা মেনে চলা, আবর্জনা না ফেলা এবং স্থানীয় পরিবেশ রক্ষায় সচেতন হওয়া গুরুত্বপূর্ণ।



