শোক প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ বা ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি ফর কৃষ্ণ কনশাসনেস (ইসকন) চট্রগ্রামের বিশিষ্ট আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের মৃত্যুর ঘটনায় ।
গত মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) ইসকনের সাধারণ সম্পাদক চারু চন্দ্র দাশ ব্রম্মচারী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞতিতে এই শোক বার্তা দেওয়া হয়।
শোক বার্তায় তিনি বলেন,চট্টগ্রামের বিশিষ্ট আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের নৃশংস হত্যাকাণ্ডে ইস্কন বাংলাদেশ গভীর শোক প্রকাশ করছে। তার মর্মান্তিক অকালপ্রয়াণ আমাদের মর্মাহত ও বেদনাহত করেছে। আমরা তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাই।
এই নির্মম ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুষ্কৃতিকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোরালো আহ্বান জানাই। আইন, ন্যায়বিচার এবং মানবিক মূল্যবোধ রক্ষায় এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে দৃঢ়পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
ইস্কন বাংলাদেশ বিশ্বাস করে, ন্যায় ও শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। সমাজে শান্তি, ভ্রাতৃত্ব ও মানবিকতার প্রসারে সকলে ঐক্যবদ্ধ থাকুক আমরা এ প্রত্যাশা করি।
পরম করুণাময়ের কাছে প্রার্থনা করছি, তিনি যেন প্রয়াত সাইফুল ইসলাম আলিফের আত্মাকে চিরশান্তি দান করেন এবং তার পরিবারকে এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি প্রদান করেন।
তবে এই শোক বার্তার পরেও থেমে নেই ইসকন বিরোধী আন্দোলন, সারা দেশে ইসকনকে নিষিদ্ধের দাবিতে এবং নির্মম এই হত্যাকান্ডের বিচার চেয়ে উত্তাল বিভিন্ন জেলা উপজেলা স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় সহ রাজনৈতিক দলগুলো।
ইসকনকে জঙ্গী সংগঠন আখ্যা দিয়ে নিষিদ্ধ ও হত্যাকান্ডের বিচার চেয়ে স্মরনকালের সর্ববৃহৎ প্রতিবাদ মিছিল করেছে চট্রগ্রাম মহানগর ছাত্র শিবির। এ ছাড়া অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও এই হত্যাকান্ডের সুষ্ঠু বিচার চেয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছে।
উল্লেখ্য, ইসকন হলো গৌড়ীয় বৈষ্ণব মতবাদের অনুসারী একটি হিন্দু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। ১৯৬৬ সালে নিউ ইয়র্ক শহরে অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ এই সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন।



