
পর্যটন সংবাদ ডেস্ক : রোববার (১২ অক্টোবর) থেকে ইউরোপ ভ্রমণে প্রবেশ ও প্রস্থান ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন এসেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাইরে থেকে যারা স্বল্প সময়ের জন্য শেনজেনভুক্ত দেশগুলোতে ভ্রমণ করেন, তাদের জন্য চালু হয়েছে এন্ট্রি অ্যান্ড এক্সিট সিস্টেম (EES)। এই তালিকায় বাংলাদেশি ভ্রমণকারীরাও অন্তর্ভুক্ত।
কী পরিবর্তন হচ্ছে?
আগে ইইউ সীমান্তে পাসপোর্টে হাতে স্ট্যাম্প দেওয়া হতো। এখন সেই পদ্ধতির পরিবর্তে স্বয়ংক্রিয় ডিজিটাল রেকর্ড তৈরি হবে। প্রথমবার শেনজেন অঞ্চলে প্রবেশের সময় যাত্রীদের—
- পাসপোর্ট স্ক্যান করতে হবে
- আঙুলের ছাপ দিতে হবে
- মুখের বায়োমেট্রিক স্ক্যান করাতে হবে
এই তথ্যগুলো EES ডাটাবেসে সংরক্ষিত থাকবে। পরবর্তী ভ্রমণে শুধু মুখের বায়োমেট্রিক মিলিয়ে দ্রুত প্রবেশ করা যাবে।
কোন কোন দেশে প্রযোজ্য?
এই সিস্টেমটি কার্যকর হয়েছে শেনজেনভুক্ত ২৯টি দেশে, যার মধ্যে রয়েছে—
- প্রায় সব ইউরোপীয় দেশ (আয়ারল্যান্ড ও সাইপ্রাস বাদ)
- এছাড়া আইসল্যান্ড, নরওয়ে, সুইজারল্যান্ড এবং লিশটেনস্টাইনও এই তালিকায়
কেন এই নতুন ব্যবস্থা?
ইইউ জানিয়েছে, এই ইলেকট্রনিক সিস্টেম চালুর লক্ষ্য—
- সীমান্ত ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক করা
- অবৈধ অভিবাসন ও পরিচয় জালিয়াতি ঠেকানো
- নির্ধারিত সময়ের বেশি অবস্থানকারী ভ্রমণকারীদের শনাক্ত করা
শিশুদের জন্য কী নিয়ম?
- ১২ বছরের নিচের শিশুদেরও নিবন্ধন করতে হবে
- তবে তাদের শুধু ছবি তোলা হবে, আঙুলের ছাপ নেওয়া হবে না
কোনো ফি লাগবে?
না, EES নিবন্ধনের জন্য কোনো অর্থ দিতে হয় না।
সম্পূর্ণ কার্যকর হবে কবে?
ধাপে ধাপে এই সিস্টেম চালু হয়ে ২০২৬ সালের এপ্রিলের মধ্যে পুরো ইউরোপে এটি বাধ্যতামূলক হবে। কিছু সীমান্তে আপাতত নতুন সিস্টেমের পাশাপাশি পুরনো পাসপোর্ট স্ট্যাম্পিংও চলছে।



