
পর্যটন সংবাদ ডেস্ক : এবারের ঈদুল আজহায় কোরবানির পশুর চাহিদার তুলনায় প্রায় ২২ লাখের বেশি পশু উদ্বৃত্ত থাকবে বলে জানিয়েছে সরকার। ফলে দেশে কোরবানির পশুর কোনো সংকট হবে না।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ রোববার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, এ বছর কোরবানির জন্য ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪০টি পশু সরবরাহ করা সম্ভব হবে। অপরদিকে সম্ভাব্য চাহিদা রয়েছে ১ কোটি ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪টি পশুর। এর মধ্যে গরু ও মহিষ ৫৬ লাখ ৯৫ হাজার ৮৭৮টি, ছাগল ও ভেড়া ৬৬ লাখ ৩২ হাজার ৩০৭টি এবং অন্যান্য প্রজাতির ৫ হাজার ৬৫৫টি পশু রয়েছে।
সারা দেশে সাড়ে তিন হাজারের বেশি পশুর হাট বসবে বলে জানান মন্ত্রী। রাজধানী ঢাকায় ২৭টি হাট বসবে, যার মধ্যে উত্তর সিটিতে ১৬টি এবং দক্ষিণ সিটিতে ১১টি হাট অন্তর্ভুক্ত। হাটগুলোতে পশু স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভেটেরিনারি মেডিক্যাল টিমসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে।
চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, পশুবাহী ট্রাকে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না। একইসঙ্গে দেশীয় খামারিদের স্বার্থ রক্ষায় সীমান্তবর্তী হাট বন্ধের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে বিদেশি পশু অনুপ্রবেশ করে স্থানীয় খামারিরা ক্ষতিগ্রস্ত না হন।
এ ছাড়া গত কয়েক বছরের মতো এবারও অনলাইনে পশু বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং এতে কোনো খাজনা বা হাসিল নেওয়া হবে না। কোরবানির চামড়ার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য পেশাদার ও অপেশাদার কসাইদের প্রশিক্ষণেরও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিনসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।



