০৯/০৫/২০২৬
২৬শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুয়াকাটায় নতুন আকর্ষণ ‘মিনি সুইজারল্যান্ড’ ও লাল কাঁকড়ার দ্বীপ

পর্যটন সংবাদ ডেস্ক : দক্ষিণের সমুদ্রসৈকতের জনপ্রিয় পর্যটন নগরী কুয়াকাটা এখন শুধু সূর্যোদয়-সূর্যাস্তের দৃশ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। নতুন প্রাকৃতিক স্পটগুলো যুক্ত হয়ে এটি ভ্রমণপিপাসুদের কাছে আরও বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে। বিশেষ করে কুয়াকাটা জিরো পয়েন্ট থেকে মাত্র ১২ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত ‘মিনি সুইজারল্যান্ড’ নামে খ্যাত নয়নাভিরাম স্থানটি পর্যটকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

সবুজ বনভূমি, বিস্তীর্ণ তৃণভূমি, ছোট ছোট টিলা, লেক এবং সাগরের ঢেউয়ের অপূর্ব মেলবন্ধনে গড়ে ওঠা এই এলাকায় একই স্থান থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখার বিরল সুযোগ পাচ্ছেন দর্শনার্থীরা। নির্মল বাতাস, শান্ত পরিবেশ ও প্রকৃতির নৈসর্গিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে অনেকে এখানে তাঁবু টাঙিয়ে রাত কাটাচ্ছেন। ঢাকা থেকে আসা পর্যটক নীশা ও ফরহাদ জানান, এক জায়গায় বসে সূর্য ওঠা ও ডোবা দেখার অভিজ্ঞতা সত্যিই অবিস্মরণীয়।

একই এলাকায় আরেক আকর্ষণ ‘লাল কাঁকড়ার দ্বীপ’। সৈকতের বালুচরে হাজার হাজার লাল কাঁকড়ার দৌড়ঝাঁপ পর্যটকদের জন্য ভিন্নমাত্রার আনন্দ যোগ করছে। স্থানীয় ট্যুর গাইড ও ভ্রমণ ব্লগারদের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় এই দুই স্পট দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।

স্থানীয় পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, সঠিক পরিকল্পনা ও পরিবেশবান্ধব উন্নয়নের মাধ্যমে এই এলাকাকে ইকো-ট্যুরিজমের অন্যতম হাবে পরিণত করা সম্ভব। এতে স্থানীয় অর্থনীতি চাঙা হবে এবং কর্মসংস্থান বাড়বে। তবে কিছু পর্যটকের অসচেতন আচরণে প্লাস্টিক বর্জ্য ও ময়লা ফেলার কারণে পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কাউছার হামিদ জানান, ‘মিনি সুইজারল্যান্ড’সহ আশপাশের এলাকায় টেকসই পর্যটন উন্নয়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। সঠিক ব্যবস্থাপনা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিত করা গেলে কুয়াকাটা আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Read Previous

আলীকদম যেন শিল্পীর আঁকা অবিশ্বাস্য ক্যানভাসে প্রকৃতির জীবন্ত রূপ

Read Next

বগুড়া বিমানবন্দর চালুতে নতুন গতি, আজ তিন মন্ত্রীর সরেজমিন পরিদর্শন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Most Popular