কাতারে ইসরায়েলি হামলায় অসন্তোষ ট্রাম্পের: নেতানিয়াহুকে একতরফা সিদ্ধান্তের জন্য ভর্ৎসনা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | পর্যটন সংবাদ
কাতারে হামাসকে লক্ষ্য করে ইসরায়েলের বিমান হামলা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, এই হামলা যুক্তরাষ্ট্র কিংবা ইসরায়েলের কোনো লক্ষ্য পূরণ করছে না। বরং এটি ছিল ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর একতরফা সিদ্ধান্ত।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার দোহায় ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান থেকে একাধিক বোমা নিক্ষেপ করা হয়। এ ঘটনায় অন্তত ছয়জন নিহত হলেও হামাসের শীর্ষ নেতারা প্রাণে বেঁচে যান। ইসরায়েলি সেনাদের দাবি, এটি ছিল “যথাযথভাবে পরিকল্পিত” হামলা এবং মূল টার্গেট ছিল হামাসের শীর্ষ নেতৃত্ব।
প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এ হামলার দায় স্বীকার করে বলেন, হামাস নেতাদের জন্য কোনো ছাড় নেই। তবে ট্রাম্প প্রকাশ্যে তার বিরোধিতা করে জানান, কাতারের মতো সার্বভৌম ও ঘনিষ্ঠ মিত্র দেশে এমন বোমাবর্ষণ অগ্রহণযোগ্য এবং এটি শান্তি প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করবে।
ট্রাম্প বলেন, মার্কিন সেনারা তাকে দেরিতে খবর দেওয়ায় হামলা থামানো সম্ভব হয়নি। তিনি জোর দিয়ে বলেন, “এটা নেতানিয়াহুর সিদ্ধান্ত, আমার নয়।” তিনি কাতারকে “ঘনিষ্ঠ বন্ধু” হিসেবে আখ্যায়িত করে দেশটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কাতারের আমির ও প্রধানমন্ত্রীকে ফোন করে সহযোগিতা ও বন্ধুত্বের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, এ ধরনের ঘটনা আর যেন কাতারের মাটিতে না ঘটে তা নিশ্চিত করা হবে।
ট্রাম্প আরও বলেন, হামাসকে নির্মূল করা জরুরি, তবে এ ধরনের একতরফা সামরিক পদক্ষেপ কোনো সমাধান নয়। তিনি দ্রুত যুদ্ধবিরতি দাবি করে বলেন, “এখনই যুদ্ধ থামাতে হবে।”
👉 প্রশ্ন রয়ে গেল, এই হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি আলোচনায় নতুন করে কতটা অস্থিরতা তৈরি হবে?
চাইলে আমি এই নিউজটির শেষে “বিশ্লেষণ” সেকশন যোগ করে ট্রাম্পের অবস্থানের কূটনৈতিক গুরুত্ব আর কাতারের জন্য ঝুঁকি নিয়ে আলাদা ব্যাখ্যা দিতে পারি। সেটা কি আপনি চান?



