দুবাইয়ে পলাতক স্বর্ণ ব্যবসায়ী আরাভ খান (রবিউল ইসলাম) ও তার স্ত্রীসহ ৮ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) পরিদর্শক মামুন ইমরান খান ওরফে মামুন হত্যা মামলায় ।
বৃহস্পতিবার ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জাকির হোসেন গালিবের আদালত এই রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত অন্যরা হলেন- রবিউলের স্ত্রী সুরাইয়া আক্তার কেয়া, রহমত উল্লাহ, স্বপন সরকার, দিদার পাঠান, মিজান শেখ, আতিক হাসান, সারোয়ার হোসেন এবং দুই কিশোরী মেহেরুন নেছা স্বর্ণ ওরফে আফরিন ওরফে আন্নাফী ও ফারিয়া বিনতে মীম ওরফে মাইশা।
আসামিদের মধ্যে রবিউল ও সুরাইয়া পলাতক আছেন দুবাইয়ে, অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় আন্নাফী ও মাইশা জামিনে আছেন এবং অপর আসামিরা রয়েছেন কারাগারে।
পুলিশ কর্মকর্তা মামুনকে ২০১৮ সালের ৮ জুলাই রাজধানী বনানী মডেল টাউনের রোড নম্বর ২/৩ বাড়ি নম্বর-৫ অ্যাপার্টমেন্টের দ্বিতীয় তলায় খুন করা হয়। পরে লাশ গুম করার জন্য দুর্বৃত্তরা গাজীপুরের কালীগঞ্জ থানার উলুখোলা রাস্তার পাশে ঝাড়ের মধ্যে পেট্রল দিয়ে পুড়িয়ে ফেলে। ১০ জুলাই কালিগঞ্জ পুলিশ সেই লাশ উদ্ধার করন।
এ ঘটনায় মামুনের বড় ভাই জাহাঙ্গীর আলম বনানী থানায় ১০ জুলাই একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ ২০১৯ সালে আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
হত্যায় সহযোগিতার কারণে আইনের সংস্পর্শে আসা দুই কিশোরীর বিরুদ্ধে দোষীপত্র দেওয়া হয়। এই দুজনের বিচার করার জন্য ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এ দোষীপত্রটি হস্তান্তর হয়।
উল্লেখ্য, রবিউল ইসলাম এখন আরাভ খান নাম ধারণ করে দুবাইয়ে পলাতক আছেন। সেখানে তিনি স্বর্ণ ব্যবসা করেন বলে খবর আছে। ২০২৩ সালে দুবাইয়ে অভিজাত জুয়েলারি দোকান উদ্বোধন করে আলোচনায় আসেন তিনি এবং বাংলাদেশ থেকে আমিন খান,দিঘী দের মতো মডেল ও অভিনয় শিল্পিদের দিয়ে তার দোকার উদ্ভোদন করে প্রায় আলোচনায় থাকতেন। ২০২৩ সালে একটি অস্ত্র মামলায় তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন ঢাকার একটি ট্রাইব্যুনাল।



