
সমুদ্র নগরী কক্সবাজারে ধিরে ধিরে কমতে শুরু করেছে পর্যটকের পদচারণা।
পবিত্র ঈদুল আজহার টানা ১০দিনের সরকারি ছুটির আজ শেষ দিন। তাই সকলেই জীবিকার তাগিদে আবার ছুটতে শুরু করেছে নিজ নিজ কর্মস্থলে। তাই যারা যেখানেই বেড়াতে বা ঘুরতে গেছেন সবাই আবার আপিন তাগিদেই ফিরতে শুরু করছেন নিজ গৃহে।
আজ শনিবার (১৪ জুন) কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে সরজমিনে দেখা যায় বিগত ৪দিনের মতো আজ এতো পর্যটকের ভীড় নেই। অনেকটাই ফাকা সমুদ্র সৈকত। অন্যদিন অনেক ভোর থেকেই সমুদ্রে সূর্যদয় দেখতে পর্যটকেরা ভীর জমায়। কিন্তু আজ তার উল্ট চিত্র লক্ষ করা যায়। অনেকটাই কমে গেছে পর্যটকের আনাগোনা।
ঢাকার খিলগাঁও থেকে ঘুরতে আসা আনোয়ারুল ইসলাম দম্পতি পর্যটন সংবাদকে বলেন ‘আজ আমাদের ছুটির শেষ দিন তাই এ যাত্রায় শেষ বারের মতো ভোরের সূর্যদয় দেখতে স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে সৈকতে এলাম,রাত ৮টায় বাস ছাড়বে ডল্ফিন চত্বর থেকে। আগামীকাল থেকে আবার নতুন ভাবে কাজে মনোযোগ দিতে হবে’।
আরেক পর্যটক শরিয়তপুর থেকে আসা আনিসুজ্জামান বলেন ‘এবারের মতো এতো লম্বা ছুটি সহজে পাই না,তাই ভেবেছিলাম দেশের বাহিরে ঘুরতে যাবো কিন্তু ডলারের মূল্য বৃদ্ধি এবং নানান অস্তিতিশীলতার কারনে সেই চিন্তা বাদ দিয়ে ঈদের পরদিন কক্সবাজার চলে আসি,আমার বন্ধুদের আজ থেকেই অফিস শুরু তাই তারা গতকাল চলে গেছে আর আমি যাবো আজ,আবার কবে আসি তার তো ঠিক নেই তাই ভোরেই সমুদ্রের সৌন্দর্য দেখতে চলে এলাম’।
এদিকে লেমিস রিসোর্টের ম্যানেজার পর্যটন সংবাদ কে বলেন এই ঈদের ছুটিতে প্রতিটি হোটেল মোটেল গেস্ট হাউজ পরিপূর্ণ ছিল,কোন হোটেলেই সিট খালি ছিল না তাই আমরা যারা এই ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত প্রত্যেকেই খুশি,অনেক ব্যাস্ত সময় পার করেছি আমরা সবাই কিন্তু গতকাল থেকেই কর্যটকরা হোটেল মোটেল ছাড়তে শুরু করেছে। আশা করা যায় আগামী ২দিনের মাঝে কক্সবাজার প্রায় অনেকটাই খালি হয়ে যাবে।কিন্তু সকল হোটেল ব্যবসায়ীরা সন্তুষ্ট।
কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন ‘ ঈদের পর থেকে আমরা পর্যটকের ভীরে আইনশৃংখলা নিয়ন্ত্রণ করতে প্রায় হিমশিম খাচ্ছিলাম কিন্তু আমরা তবু সকল কিছু নিয়ন্ত্রণে রেখেছি, যদিও কিছু মৃত্যু সহ অপৃতিকর ঘটনার সমুক্ষিন হয়েছি তবু সব মিলিয়ে পরিবেশ পরিস্থিতি ও আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক ছিল। আস্তে আস্তে ভীড় কমতে শুরু করেছে,পর্যটকরা ফিরতে শুরু করেছে তাদের নিজ নিজ কর্মস্থলে। কক্সবাজার আবার নিরব হয়ে যাবে খুব দ্রুত’।



