পর্যটন সংবাদ ডেস্ক: চীনের তিয়ানজিনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ঘন্টাখানেক বৈঠকের পর দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক নতুন মোড় নিচ্ছে। বিশেষ করে সীমান্তে সংঘাতের পর এই প্রথম শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক, যা পর্যটন ও সরাসরি বিমান যোগাযোগে নতুন সম্ভাবনার জন্ম দিচ্ছে।
মোদী বৈঠকের পর বলেন, ‘গত বছর কাজানে ভারতের সঙ্গে চীনের আলোচনাগুলো অত্যন্ত সদর্থক ছিল। সীমান্তে সেনা প্রত্যাহারের পর শান্তি এবং স্থিতিশীলতা এসেছে, যা পর্যটন ও বিনিয়োগকে বাড়াতে সহায়ক হবে।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন মানস সরোবর থেকে চীনের সঙ্গে সরাসরি বিমান পরিষেবা চালুর পরিকল্পনার কথা, যা পর্যটক এবং ব্যবসায়ীদের জন্য সুবিধাজনক হবে।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংও সৌহার্দ্যের বার্তা দিয়ে বলেন, ‘ভারত ও চীন, বিশ্বের দুটি সবচেয়ে জনবহুল দেশ হিসেবে একে অপরের পাশে থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের বন্ধুত্ব এবং সহযোগিতা শুধুমাত্র দুই দেশের জন্য নয়, পুরো অঞ্চলের মঙ্গলের জন্য জরুরি।’
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ট্রাম্পের শুল্ক নীতি এবং আন্তর্জাতিক চাপের কারণে ভারত বর্তমানে চীনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলছে। এর ফলে পর্যটন, ব্যবসা এবং বিনিয়োগ ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।
বিশেষত সরাসরি বিমান সংযোগ চালু হলে দুই দেশের পর্যটকরা সহজে ভ্রমণ করতে পারবে, যা পাহাড়ি অঞ্চলের ট্রেকিং, মানস সরোবর ভ্রমণ এবং সাংস্কৃতিক সফরকে সহজ করবে। ভারত-চীন পর্যটন সহযোগিতা যদি সম্প্রসারিত হয়, তাহলে এশিয়ার পর্যটন মানচিত্রে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসতে পারে।
রাজনীতি ও কূটনৈতিক আলোচনার মধ্যে থেকেও পর্যটকরা উপকৃত হতে চলেছেন। সীমান্তে শান্তি, নতুন বিমান রুট এবং সহযোগিতার পরিবেশ—সবই ভারত-চীন পর্যটনকে এক নতুন দিগন্তের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।



