২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় রায় রোববার

বহুল আলোচিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় রোববার (১ ডিসেম্বর) ঘোষণা করবেন হাইকোর্ট।

শনিবার (৩০ নভেম্বর) এ তথ্য জানা যায়। বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করবেন।

এর আগে ২১ নভেম্বর শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রেখেছিলেন হাইকোর্ট ।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো.জসিম সরকার। আসামি পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এস এম শাহজাহান ও শিশির মনির।

জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহানের মতে, এ মামলার দ্বিতীয় অভিযোগপত্রে যাদের আসামি করা হয়েছে, সেটি আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ, দ্বিতীয় অভিযোগপত্র ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দেয়া হয়নি, সরাসরি জজ আদালতে দেয়া হয়। সে জন্য এই অভিযোগপত্র ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী গৃহীত হতে পারে না।

তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে কে গ্রেনেড ফাটালো, এটা নিয়ে কারো সাক্ষ্য নেই। বা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নেই। এটার হদিস পাওয়া যায়নি।

তারেক রহমানের বিষয়ে বলেন, আমি এটা উল্লেখ করেছি। যদিও ওনার কোনো আপিল নেই। কিন্তু আপনি (আদালত) যদি মনে করেন যে এ মামলার কোনো আসামির বিরুদ্ধে প্রমাণ হয় নাই, বা দায়সারা গোছের চার্জশিট দেয়া হয়েছে। মামলা প্রমাণ না হলে, খালাস পাওয়ার যোগ্য হলে আদালত খালাস দিতে পারেন। এটা ভারত,পাকিস্তান ও আমাদের সুপ্রিম কোর্টে নজির আছে।

আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনিরের মতে, মুফতি হান্নানের দ্বিতীয় জবানবন্দির ভিত্তিতে অধিকতর যে তদন্ত হয়েছে, সেটির আইনগত ভিত্তি নেই। সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সাজা দেয়া হয়েছে। এ মামলায় আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নির্যাতনের মাধ্যমে আদায় করা হয়েছে।

এ ঘটনার মামলায় ২০১৮ খিষ্টাব্দের সালের ১০ অক্টোবর বিচারিক আদালত সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ও বিএনপি নেতা আবদুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড দেন।

একই সঙ্গে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান (বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান) তারেক রহমানসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়। বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয় অপর ১১ আসামিকে। পরে ওই বছরের ২৭ নভেম্বর মামলার বিচারিক আদালতের রায় প্রয়োজনীয় নথিসহ হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স শাখায় পৌঁছে। পাশাপাশি কারাবন্দি আসামিরা আপিল করেন।

গত ৩১ অক্টোবর আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের ওপর শুনানি শুরু হয়।

 

Read Previous

তাম্মাতের সাইকেল যাত্রায় বিশ্ব বিজয়

Read Next

ভারতীয় গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টার বক্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Most Popular