
সবসময় আমরা বলি ভোজনবিলাসী বাঙালী কিন্তু এই কথাকে ছাপিয়ে আমরা ইদানিং নিজেদের প্রমান করে দিচ্ছি ভ্রমনপ্রেয়সী বাঙালী জাতী হিসেবে। আমরা বাঙালীরা খেতে যেমন ভালোবাসি ঠিক তেমনি আমরা একটু সময় পেলেই ঘুরতে বেরিয়ে যাই। এ দেশের মানুষ তার আয়ের প্রায় ১৫ শতাংশ টাকা ব্যয় করে ভ্রমনের জন্য এই তথ্যই উঠে এসেছে বিভিন্ন জরিপে।
জনবহুল বাংলাদেশের মানুষ যখন কাজ করতে করতে হাপিয়ে উঠে তখনি শান্তির নিশ্বাস নিতে বেরিয়ে পরে প্রকৃতির মাঝে। যদি কাজে ছুটি তেমন নাও পায় কাছে কোথাও হলেও ঘুরতে বেরিয়ে যায়।
একটু বড় কোন ছুটির ব্যবস্থা হলে বাংলাদেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলো তিল ধারনের অবস্থায় থাকেনা। কিন্তু এই সম্ভাবনাময় সেক্টরকে তেমন পাত্তাই দিচ্ছেনা সংশ্লিষ্ট কর্তা ব্যাক্তিরা। এই সম্ভাবনাময় খাতটি ধীরে ধীরে নুয়ে পরছে আর এর প্রধান কারন হিসেবে দেখছে নিরাপত্তা ব্যবস্থার অবনতি এবং পর্যটন নির্ভর অবকাঠামোর অভাব।
আসছে পবিত্র ঈদুল ফিতরের লম্বা ছুটিতে চিরচেনা ব্যস্ত ঢাকা প্রায় নিস্তব্ধ হয়ে যাবে আর এ নগরীর ব্যস্ত মানুষজন দেশের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে ভীর জমাবে তাদের ভ্রমণপিপাসু মনকে একটু সতেজ করতে আর তখনি বাংলাদেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলো সেই ভ্রমন প্রেমিদের নিরাপত্তা দিতে ব্যার্থ হবে এবং হোটেল মোটেল গুলোতে থাকার স্থান না পেয়ে পথে বা খোলা স্থানে রাত্রী যাপন করতে হবে যা আমাদের অবকাঠামোগত সমস্যা।
এ নিয়ে জনাব সাইফুল ইসলাম নামক একজনের সঙ্গে কথা বললে তিনি পর্যটন সংবাদকে জানায়, তিনি কর্মজীবনে একজন ব্যাংকার এবং ঈদের এই লম্বা ছুটিতে উনি উনার পরিবার নিয়ে বান্দরবান যেতে চেয়েছিলেন কিন্তু সেখানকার অব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে ঘুরতে যাবেন না বলেই আইদ্ধান্ত নেন, তাছাড়া ঈদে হোটেল ভাড়া বাস ভাড়া বিমান ভাড়া সহ সকল পরিবহন সেক্টরে ভাড়া প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যায় যার ফলে মধ্যবিত্তদের নাগালের বাহিরে চলে যায় ভ্রমনের হিসেব নিকাস।
বাংলাদেশের পর্যটন সেক্টরকে আরো বেগবান করতে চাইলে অবশ্যই সংশ্লিষ্টদের আরো মনোযোগী হতে হবে এবং সমস্যাগুলো নির্দিষ্ট করে তার সঠিক সমাধান করতে হবে।



