
পর্যটন সংবাদ ডেস্ক : শনিবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসের সম্মেলন কক্ষে চট্টগ্রাম সমুদ্র সৈকত ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। সভায় পতেঙ্গা ও পারকি সমুদ্র সৈকতসহ জেলার বিভিন্ন সৈকতের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং পর্যটন খাতের উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
মেয়র বলেন, সৈকতের প্রবেশপথে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং দর্শনার্থীদের আকর্ষণ বাড়ানোর জন্য কঠোর নিয়ম-কানুন প্রয়োগ করা দরকার। এ লক্ষ্যে তিনি সৈকত এলাকায় নিরাপত্তা ও তদারকি বাড়াতে ১০ জন আনসার সদস্য নিয়োগের প্রস্তাব দেন।
তিনি আরও জানান, সৈকতের অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদে তার সরাসরি তত্ত্বাবধানে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়েছে এবং এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষা করে পরিবেশবান্ধব উন্নয়নের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, সৈকতে দোকানপাট নির্মাণ করতে হবে কৌশলগতভাবে—যাতে পর্যটকদের চলাচলে বাধা না হয় এবং সৈকতের সৌন্দর্য নষ্ট না হয়।
ইতিমধ্যে সৈকতে ২৮০টি দোকান স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে মেয়র বলেন, এসব দোকানে পর্যটকরা যুক্তিসঙ্গত মূল্যে প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে পারবেন এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধা পাবেন।
সভায় তিনি সিটি কর্পোরেশন, জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ), পর্যটন পুলিশ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, পর্যটন সংশ্লিষ্ট সংগঠন ও স্থানীয় জনগণের সমন্বিত প্রচেষ্টার আহ্বান জানান। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে পতেঙ্গা সৈকতকে নিরাপদ, পরিষ্কার ও বিশ্বমানের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিয়া। তিনি পতেঙ্গা সৈকতকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, আধুনিক বিনোদন সুবিধা স্থাপন এবং অবকাঠামো উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
(সূত্র: বাসস-এর তথ্য অবলম্বনে)



