
ফাইল ছবি
পর্যটন সংবাদ ডেস্ক : ২০২৬ সালে হজ পালনে ইচ্ছুক বাংলাদেশের সব হজযাত্রীর জন্য টিকা গ্রহণের আগে মেডিকেল স্ক্রিনিং বাধ্যতামূলক করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। নির্ধারিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন না করলে কোনো হজযাত্রীকে টিকা দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার মন্ত্রণালয়ের হজ-১ শাখা থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্বাস্থ্যসেবা অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী ২৫ জানুয়ারি ২০২৬–এর মধ্যে হজযাত্রীদের নির্ধারিত সব মেডিকেল পরীক্ষা শেষ করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বাধ্যতামূলক পরীক্ষার তালিকায় রয়েছে প্রস্রাব বিশ্লেষণ, রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা, বুকের এক্স-রে, ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম (ইসিজি), সিরাম ক্রিয়েটিনিন, ইএসআর, পূর্ণ রক্ত গণনা (সিবিসি) এবং রক্তের গ্রুপ নির্ধারণ ও আরএইচ টাইপিং।
এ ছাড়া হজযাত্রীর শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত পরীক্ষাও করাতে হতে পারে। এসব পরীক্ষার মধ্যে ইকোকার্ডিওগ্রাফি, আল্ট্রাসাউন্ড স্ক্যান, এন্ডোস্কোপি, সিটি স্ক্যান, যক্ষ্মা শনাক্তে থুতনির পরীক্ষা এবং লিভার ফাংশন টেস্ট অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নির্ধারিত টিকাদান কেন্দ্রে টিকা নেওয়ার সময় হজযাত্রীদের অবশ্যই মেডিকেল পরীক্ষার রিপোর্ট এবং ই-স্বাস্থ্য প্রোফাইলের কপি জমা দিতে হবে। মেডিকেল টিমের ছাড়পত্র পাওয়ার পরই কেবল টিকা দেওয়া হবে।
কর্তৃপক্ষের মতে, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে হজযাত্রীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি আগেই শনাক্ত করা সম্ভব হবে এবং হজ চলাকালে গুরুতর শারীরিক জটিলতা এড়ানো সহজ হবে।
এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানতে হজযাত্রীরা ১৬১৩৬ নম্বরে হজ কল সেন্টারে যোগাযোগ করতে পারবেন।



