
এবারের ঈদুল ফিতরে কর্মজীবী সকলে পেয়েছেন লম্বা ছুটি আর এই ছুটিতেই সবাই ছুটে চলছে ভ্রমনপিয়াসি পর্যটকরা।
এই সরকারী ছুটিতে সিলেটের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে নেমেছে পর্যটকদের ঢল। টানা নয়দিনের সরকারি ছুটিত দেখা মিলছে উৎসবমুখর সিলেটের পর্যটন ও বিনোদনকেন্দ্রগুলো।
জেলার সকল পর্যটনকেন্দ্রই এখন লোকে লোকারণ্য। প্রকৃতিকন্যা জাফলং, ভোলাগঞ্জের সাদা পাথর আর বিছানাকান্দি অথবা চা-বাগান যে দিকেই চোখ যায় সেখানেই ভ্রমণপিপাসুদের পদভারে মুখরিত।
পর্যটকদের আনাগোনায় খুশি পর্যটক নির্ভর পেশাজীবীরা। হোটেল-মোটেল ব্যবসায়ী, ট্যুর গাইড, আলোকচিত্র শিল্পীরা বলছেন, এবার যেন প্রাণ ফিরলো পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে।

প্রকৃতির টানে ছুটে আসা পর্যটকদের বাঁধভাঙা ঈদি আনন্দ-উচ্ছ্বাসে সিলেটের পর্যটনকেন্দ্রলোতে তৈরী হয়েছে অন্যরকম এক আবহ।
ঈদের ছুটির তৃতীয় দিনেও মুখরিত পর্যটনকেন্দ্রগুলো। ঈদের দিন এবং দ্বিতীয় দিন বিকেলে এখানকার চা-বাগানগুলোতে পর্যটকদের ভিড় ছিল দেখার মতো।
জল, পাহাড়-টিলা, নদী আর পাথর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে অপরুপ গোয়াইনঘাটের জাফলং, বিছানাকান্দি, জৈন্তাপুরের সারি নদী, কোম্পানিগঞ্জের সাদাপাথর, উৎমাছড়া এবং মিঠাপানির একমাত্র সোয়াম ফরেস্ট রাতারগুলের পর্যটকের উপস্থিতি বলা বাহুল্য।
এছাড়া সিলেট নগরের এডভেঞ্চার ওয়ার্ল্ড, শহরতলির ড্রিমল্যান্ড, এমএজি ওসমানী শিশুপার্ক, সাইফুর রহমান শিশু পার্ক, চা-বাগানের ছড়ায় স্থাপিত ওয়াকওয়েতেও শিশু থেকে শুরু করে নানা বয়সী লোকজনে একাকার।



